সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাটোরের নলডাঙ্গায় বোরোর প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছেন ৬৯০০ কৃষক

নাটোরের নলডাঙ্গায় বোরোর প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছেন ৬৯০০ কৃষক! নাটোরের নলডাঙ্গায় ৬ হাজার ৯০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বোরোর প্রণোদনা সহায়তা হিসেবে উফশী ও হাইব্রিড জাতের ধান বীজ ও রাসায়নিক সার দেয়া হচ্ছে। উন্নত জাত ও নতুন উদ্ভাবিত ফসল আবাদে উৎসাহিত করতে চলতি মৌসুমে বিনা মুল্যে এসব কৃষি সামগ্রী প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে। এতে এবার বোরো মৌসুমে সরকারের প্রণোদনা সহায়তায় ২২০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, চলতি রবি-২০২২-২৩ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসুচীর আওতায় উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৬ হাজার ৯০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে উফশী ও হাইব্রিড জাতের ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন করা হবে। এরমধ্যে ২ হাজার ৪০০ জন কৃষককে উফশী জাতের বোরো বীজ ও ৪ হাজার ৫০০ জন কৃষককে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন ও পৌরসভা ভিত্তিক কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে ব্রক্ষ্মপুর ইউনিয়নে উফশী জাত ২৫০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৪৪০ জন কৃষক, মাধনগর ইউনিয়নে উফশী জাত ৫৭০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৯০০ জন কৃষক, খাজুরা ইউনিয়নে উফশী জাত ৬৫০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ১ হাজার ৫০০ জন কৃষক, পিপরুল ইউনিয়নে উফশী জাত ৫৮০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৯১০ জন কৃষক, বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নে উফশী জাত ২৫০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৪৫০ জন কৃষক এবং নলডাঙ্গা পৌরসভায় উফশী জাত ১০০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৩০০ জন কৃষক। প্রতিজন কৃষককে উফশী জাতের ধান বীজ ৫ কেজি, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার এবং প্রতিজন কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ প্রণোদনা হিসাবে দেয়া হবে।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার ফৌজিয়া ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সরকার কৃষকদেরকে উন্নত জাত এবং নতুন নতুন উদ্ভাবিত জাতের ফসল চাষাবাদে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা কর্মসুচীর আওতায় এসব বীজ ও রাসায়নিক সার সহায়তা দিচ্ছেন। যাতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা সহজেই স্বল্প সময়ে-স্বল্প খরচে ধান উৎপাদন করতে পারেন। এতে একদিকে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে কৃষকরাও আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন অনেকাংশে। তিনি বলেন, হাইব্রিড জাতের ধান প্রতি বিঘায় গড়ে ৩৫ মন হিসাবে ১৫৮ মেট্রিক টন এবং উফশী জাতের ধান প্রতি বিঘায় গড়ে ২৬ মন হারে ধরলে প্রায় ৬৩ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে। অর্থাৎ এবারের প্রণোদনায় পাওয়া সার ও বীজে অন্তত ২২০ মেট্রিক টন ধান এই উপজেলায় উৎপাদন হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

নাটোরের নলডাঙ্গায় বোরোর প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছেন ৬৯০০ কৃষক

Update Time : ১১:২৭:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর ২০২২

নাটোরের নলডাঙ্গায় বোরোর প্রণোদনা সহায়তা পাচ্ছেন ৬৯০০ কৃষক! নাটোরের নলডাঙ্গায় ৬ হাজার ৯০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বোরোর প্রণোদনা সহায়তা হিসেবে উফশী ও হাইব্রিড জাতের ধান বীজ ও রাসায়নিক সার দেয়া হচ্ছে। উন্নত জাত ও নতুন উদ্ভাবিত ফসল আবাদে উৎসাহিত করতে চলতি মৌসুমে বিনা মুল্যে এসব কৃষি সামগ্রী প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করা হচ্ছে। এতে এবার বোরো মৌসুমে সরকারের প্রণোদনা সহায়তায় ২২০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, চলতি রবি-২০২২-২৩ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসুচীর আওতায় উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৬ হাজার ৯০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামুল্যে উফশী ও হাইব্রিড জাতের ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরন করা হবে। এরমধ্যে ২ হাজার ৪০০ জন কৃষককে উফশী জাতের বোরো বীজ ও ৪ হাজার ৫০০ জন কৃষককে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন ও পৌরসভা ভিত্তিক কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এরমধ্যে ব্রক্ষ্মপুর ইউনিয়নে উফশী জাত ২৫০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৪৪০ জন কৃষক, মাধনগর ইউনিয়নে উফশী জাত ৫৭০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৯০০ জন কৃষক, খাজুরা ইউনিয়নে উফশী জাত ৬৫০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ১ হাজার ৫০০ জন কৃষক, পিপরুল ইউনিয়নে উফশী জাত ৫৮০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৯১০ জন কৃষক, বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নে উফশী জাত ২৫০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৪৫০ জন কৃষক এবং নলডাঙ্গা পৌরসভায় উফশী জাত ১০০ জন ও হাইব্রিড জাত পাবেন ৩০০ জন কৃষক। প্রতিজন কৃষককে উফশী জাতের ধান বীজ ৫ কেজি, ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার এবং প্রতিজন কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রিড জাতের ধান বীজ প্রণোদনা হিসাবে দেয়া হবে।

নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসার ফৌজিয়া ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, সরকার কৃষকদেরকে উন্নত জাত এবং নতুন নতুন উদ্ভাবিত জাতের ফসল চাষাবাদে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা কর্মসুচীর আওতায় এসব বীজ ও রাসায়নিক সার সহায়তা দিচ্ছেন। যাতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা সহজেই স্বল্প সময়ে-স্বল্প খরচে ধান উৎপাদন করতে পারেন। এতে একদিকে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে কৃষকরাও আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন অনেকাংশে। তিনি বলেন, হাইব্রিড জাতের ধান প্রতি বিঘায় গড়ে ৩৫ মন হিসাবে ১৫৮ মেট্রিক টন এবং উফশী জাতের ধান প্রতি বিঘায় গড়ে ২৬ মন হারে ধরলে প্রায় ৬৩ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে। অর্থাৎ এবারের প্রণোদনায় পাওয়া সার ও বীজে অন্তত ২২০ মেট্রিক টন ধান এই উপজেলায় উৎপাদন হবে।