আজ (১৯ নভেম্বর) বুধবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিহত শুভর পিতা জবিউর তার ২য় স্ত্রী শেফা বেগম কে দীর্ঘদিন আগে তালাক দেয়।
সেই ক্ষোভ ধরে শেফা বেগম তার সাবেক স্বামী জবিউরের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করতে থাকে। এরই পরিপেক্ষিতে চলতি বছরে ২৬ শে ফেব্রুয়ারী বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে পরিকল্পিতভাবে শুভ কে অপহরণ করে নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে প্রথমে হত্যা করে এবং মৃত্যু কে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার জন্য গাছের ডালের সাথে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখে।
পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে গিয়ে সদর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করা সহ অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। লাশটির ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিহত শুভ এর পিতা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে প্রচারিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে র্যাব-১৩ সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্প ও র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনা ক্যাম্পের চৌকস সদস্যরা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যৌথ অভিযান চালিয়ে পাবনা সদরের দিলালপুর এলাকা হতে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মুল আসামি মোছাঃ শেফা বেগম কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার আসামি শেফা বেগম গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের মৃত আমির উদ্দিন মুন্সির মেয়ে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টর: 











