গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এক নারী উদ্যোক্তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং জামিনে এসে ওই নারীকে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে জেলার সাঘাটা উপজেলার উল্লা ভরতখালি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
ভুক্তভোগী নারী সাঘাটা উপজেলার পূর্ব অন্ততপুর গ্রামের বাসিন্দা ও নারী উদ্যোক্তা হিসাবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সাঘাটা উপজেলার উত্তর উল্ল্যা গ্রামের মৃত-আনোয়ার হোসেনের ছেলে ওষুধ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ খোকন কৌশলে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন থেকে সম্পর্ক ও জোরপূর্বক ধর্ষণ করে আসছিলেন। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গিয়ে বিভিন্নভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেন।
বাধ্য হয়ে তিনি বিয়ের স্বীকৃতি ও বিচারের জন্য গত ৯ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানায় নারী শিশু নির্যাতন ও ধর্ষনের অভিযোগে মামলা করেন।
ওই মামলায় সম্প্রতি জামিনে এসে বিভিন্ন ভাবে তাকে হুমকি দিয়ে আসছিলেন অভিযুক্ত খোকন।

বুধবার বিকালে তিনি উল্ল্যাবাজার দিয়ে বাড়ি আসার পথে খোকন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তাকে ধরে খোকনের ওষুধের দোকানে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে মারধর করে এবং মাথার চুল কেটে দেয়।
পরে স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে ওই নারী গাইবান্ধা গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভর্তি আছেন।
গাইবান্ধা জেলা নারী উদ্দ্যাক্তা কাউন্সিলের সভাপতি মাহবুবা সুলতানা জানান, মধ্যযুগীয় কায়দায় ওই নারীকে নির্যাতন কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। বর্বরোচিত এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচার করতে হবে।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি: 











