সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে যাত্রা করলো মাদারীপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল রোগী সেবা কার্যক্রম

মাদারীপুর জেলার মানুষের বহু কাঙ্ক্ষিত মাদারীপুর সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি হস্তান্তরের দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর চালু হলো ।

বৃহস্পতিবার ( ২ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ,মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান এমপি।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ১০০ শয্যার সাথে নতুন ভবনের ১৫০ বেড নিয়ে ২৫০ বেডের মাদারীপুর সদর হাসপাতাল।

উল্লেখ্য পুরাতন ভবনের ১০০ বেডের সাথে নতুন ভবনের মাত্র ৫০ টি বেড সংযোজন করে আজ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

এতে পরিপূর্ণ জনবল এর অভাবে পূর্ণাঙ্গ রূপে হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রধান অতিথির শাজাহান খান এমপি, তিনি আরো বলেন অতি শীঘ্রই পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে আমরা এটি পূর্ণাঙ্গ রূপে কার্যক্রম চালু করতে পারবো।
মাদারীপুর সিভিল সার্জন ডঃ মুনির আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড, রহিমা খাতুন, মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম , মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান কালু খান।

এদিকে সাড়ে তিনবছরে হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় নষ্ট হয়েছে হাসপাতালের কোটি টাকার যন্ত্রপাতি।
ফলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে জেলাবাসী।

সরেজমিনে জানা যায়, দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ করা হয় মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতাল। এতে ব্যয় হয় ৩০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর গণপূর্ত অধিদফতর স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে হাসপাতালটি।

রয়েছে তিন কোটি টাকা মূল্যের সিটি স্ক্যান মেশিন। আছে ডিজিটাল এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ১০টি কার্ডিয়াক মনিটর, আধুনিক জেনারেটরসহ কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি। প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য রয়েছে লিফটের ব্যবস্থা। এত কিছু থাকার পরও হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ রোগী ও ভক্তভোগি পরিবারের।

মাদারীপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সৈয়দারবালী মৌজার উপর দাঁড়িয়ে আছে হাসপাতালের নতুন সাততলা ভবন। অথচ পাশের পুরনো ১০০ শয্যার ভবনে নাম মাত্র চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর রোগীদের পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে।
এলাকাবাসী জানায় এতদিন পরে হাসপাতালটি চালু হলেও আমরা খুশি এখন সরকারের কাছে অনুরোধ অতি শীঘ্রই যেন হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে সকল প্রকার সেবা কার্যক্রম যেন নিতে পারি তার সুব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

অবশেষে যাত্রা করলো মাদারীপুর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল রোগী সেবা কার্যক্রম

Update Time : ১১:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

মাদারীপুর জেলার মানুষের বহু কাঙ্ক্ষিত মাদারীপুর সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালটি হস্তান্তরের দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর চালু হলো ।

বৃহস্পতিবার ( ২ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ,মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান এমপি।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের পুরাতন ভবনের ১০০ শয্যার সাথে নতুন ভবনের ১৫০ বেড নিয়ে ২৫০ বেডের মাদারীপুর সদর হাসপাতাল।

উল্লেখ্য পুরাতন ভবনের ১০০ বেডের সাথে নতুন ভবনের মাত্র ৫০ টি বেড সংযোজন করে আজ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

এতে পরিপূর্ণ জনবল এর অভাবে পূর্ণাঙ্গ রূপে হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রধান অতিথির শাজাহান খান এমপি, তিনি আরো বলেন অতি শীঘ্রই পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দিয়ে আমরা এটি পূর্ণাঙ্গ রূপে কার্যক্রম চালু করতে পারবো।
মাদারীপুর সিভিল সার্জন ডঃ মুনির আহমদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড, রহিমা খাতুন, মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম , মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান কালু খান।

এদিকে সাড়ে তিনবছরে হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় নষ্ট হয়েছে হাসপাতালের কোটি টাকার যন্ত্রপাতি।
ফলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে জেলাবাসী।

সরেজমিনে জানা যায়, দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ করা হয় মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতাল। এতে ব্যয় হয় ৩০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর গণপূর্ত অধিদফতর স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে হাসপাতালটি।

রয়েছে তিন কোটি টাকা মূল্যের সিটি স্ক্যান মেশিন। আছে ডিজিটাল এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ১০টি কার্ডিয়াক মনিটর, আধুনিক জেনারেটরসহ কয়েক কোটি টাকার যন্ত্রপাতি। প্রতিবন্ধী রোগীদের জন্য রয়েছে লিফটের ব্যবস্থা। এত কিছু থাকার পরও হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ রোগী ও ভক্তভোগি পরিবারের।

মাদারীপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সৈয়দারবালী মৌজার উপর দাঁড়িয়ে আছে হাসপাতালের নতুন সাততলা ভবন। অথচ পাশের পুরনো ১০০ শয্যার ভবনে নাম মাত্র চিকিৎসা দিয়ে গুরুতর রোগীদের পাঠানো হয় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে।
এলাকাবাসী জানায় এতদিন পরে হাসপাতালটি চালু হলেও আমরা খুশি এখন সরকারের কাছে অনুরোধ অতি শীঘ্রই যেন হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে সকল প্রকার সেবা কার্যক্রম যেন নিতে পারি তার সুব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।