সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জের পচারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলেও কাজের নেই কোন অগ্রগতি 

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ২১-২২ অর্থ বছরে শালমারা ইউনিয়নের পচারিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত,স্লীপ,ওয়াসব্লোক,প্রাক প্রাথমিক সহ বরাদ্দ পায় তিন লক্ষ টাকা কিন্তু অর্থ বছর পেরিয়ে গেলেও নাম মাত্র কাজ করে কাগজে কলমে ভাউচারের মাধ্যমে কাজ শেষ হয়েছে।

সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে দেখা যায় ওয়াশ ব্লোকের কাজ করা জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিশ হাজার টাকা কিন্তু কোন কাজ পাওয়া যায়নি।স্লীপের সত্তর হাজার টাকার কি করেছেন এমন প্রশ্নে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহিদুল বলেন ফ্যান চারটি ও এসেম্বলির জন্য ড্রাম ও একটা রাসেল কর্নার করে সত্তর হাজার টাকা শেষ হয়েছে।ক্ষুদ্র মেরামতের দুইলক্ষ টাকার মধ্য ৮০ হাজার টাকা এখন পাননি তবে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা পান সেই টাকায় স্কুলের বিল্ডিং এর নিচ তলায় এক হাজার ইট এনে প্রাচীর নির্মান করে ক্লাসরুমে রুপান্তর করেছেন।বাকী আশি হাজার কেন পেলেন না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন ১৫% টাকা কর্তনের পরে বাকী টাকা পাবো সেই টাকায় কি করবেন এমন প্রশ্নে কোন সৎ উত্তর মেলেনি।

সহকারী শিক্ষা অফিসার সুফিয়ান এর নিকট জানতে চাইলে বিষয়টি এরিয়ে যান।

এসময় স্কুল পরিদর্শনের আসেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রমজান আলী তিনি বলেন যে টাকা দিয়েছি এটার কাজ বুঝে নেওয়ার পর বাকী টাকা ছাড় করা হবে। অর্থবছর শেষ হচ্ছে,কবে কাজ শেষ হবে এমন প্রশ্নে তারাহুরা করে স্কুল ত্যাগ করেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

গোবিন্দগঞ্জের পচারিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিন লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলেও কাজের নেই কোন অগ্রগতি 

Update Time : ০৮:৫৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অক্টোবর ২০২২

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ২১-২২ অর্থ বছরে শালমারা ইউনিয়নের পচারিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত,স্লীপ,ওয়াসব্লোক,প্রাক প্রাথমিক সহ বরাদ্দ পায় তিন লক্ষ টাকা কিন্তু অর্থ বছর পেরিয়ে গেলেও নাম মাত্র কাজ করে কাগজে কলমে ভাউচারের মাধ্যমে কাজ শেষ হয়েছে।

সরেজমিনে স্কুলে গিয়ে দেখা যায় ওয়াশ ব্লোকের কাজ করা জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বিশ হাজার টাকা কিন্তু কোন কাজ পাওয়া যায়নি।স্লীপের সত্তর হাজার টাকার কি করেছেন এমন প্রশ্নে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শহিদুল বলেন ফ্যান চারটি ও এসেম্বলির জন্য ড্রাম ও একটা রাসেল কর্নার করে সত্তর হাজার টাকা শেষ হয়েছে।ক্ষুদ্র মেরামতের দুইলক্ষ টাকার মধ্য ৮০ হাজার টাকা এখন পাননি তবে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা পান সেই টাকায় স্কুলের বিল্ডিং এর নিচ তলায় এক হাজার ইট এনে প্রাচীর নির্মান করে ক্লাসরুমে রুপান্তর করেছেন।বাকী আশি হাজার কেন পেলেন না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন ১৫% টাকা কর্তনের পরে বাকী টাকা পাবো সেই টাকায় কি করবেন এমন প্রশ্নে কোন সৎ উত্তর মেলেনি।

সহকারী শিক্ষা অফিসার সুফিয়ান এর নিকট জানতে চাইলে বিষয়টি এরিয়ে যান।

এসময় স্কুল পরিদর্শনের আসেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রমজান আলী তিনি বলেন যে টাকা দিয়েছি এটার কাজ বুঝে নেওয়ার পর বাকী টাকা ছাড় করা হবে। অর্থবছর শেষ হচ্ছে,কবে কাজ শেষ হবে এমন প্রশ্নে তারাহুরা করে স্কুল ত্যাগ করেন তিনি।