গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের পাটবীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ মার্চ) উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে আউশ ধান, পাট, তিল, গ্রীষ্মকালীন মুগ ও হলুদসহ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাতের বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহামেদ। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পাটবীজ বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খরিপ-১ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় পাট চাষের জন্য ১০০ জন কৃষককে ১ কেজি করে বীজ, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। হলুদ চাষের জন্য ১০ জন কৃষককে ১০০ কেজি করে বীজের পাশাপাশি ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আউশ ধান চাষে উৎসাহ দিতে ১ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। তিল চাষের জন্য ১০ জন কৃষককে ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার এবং গ্রীষ্মকালীন মুগ চাষের জন্য ৩০ জন কৃষককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে।
কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দুটি এয়ারফ্লো মেশিনও সরবরাহ করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ এবং সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত থেকে বিনামূল্যে এসব বীজ ও সার গ্রহণ করেন।
মোঃফেরদাউছ মিয়া পলাশবাড়ী প্রতিনিধি: 








