Dhaka 4:59 am, Friday, 6 February 2026

পলাশবাড়ীর গর্বঃ বিকেএসপিতে সুযোগ পেল দুই নারী ফুটবলার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমির দুই নারী খেলোয়াড় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তারা হলেন, উপজেলার ৪ নম্বর বরিশাল ইউনিয়নের সোহেব মিয়ার কন্যা সাদিয়া আক্তার এবং পলাশবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুলশী কুমার রায়ের কন্যা আদ্রিতা রায়।

২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমি শুরু থেকেই জেলার ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে। একাডেমির ছেলে ও মেয়ে উভয় দলই গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে নিয়মিত সাফল্য অর্জন করেছে।

একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় ও জেলা নারী দলের কোচ সুরুজ হক লিটন। মেয়েদের দলের সহকারী কোচ হিসেবে আছেন হাবিবা। ছেলেদের দলের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন রাকিব,নিয়ামুল ও মুন।
বিকেএসপিতে পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নত প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকায় একাডেমির কোচ ও কর্মকর্তারা আশাবাদী,ভবিষ্যতে সাদিয়া ও আদ্রিতা জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে।

উল্লেখ্য,চলতি বছর সারাদেশ থেকে মাত্র ১০ জন খেলোয়াড় বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে পলাশবাড়ীর দুইজন থাকায় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
একাডেমির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ বলেন,পলাশবাড়ী উপজেলা ফুটবল একাডেমির দুই নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি একাডেমি ও উপজেলার জন্য বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে কোচ,অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
দৈনিক দিনকাল পত্রিকার পলাশবাড়ী প্রতিনিধি প্রবীণ সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কবির ও খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকম-এর সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিলটন বলেন,এই সাফল্য শুধু পলাশবাড়ীর নয়,পুরো গাইবান্ধা জেলার গর্ব। সাদিয়া ও আদ্রিতা আমাদের এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তাদের এই অর্জন নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
এই সাফল্যে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ, কোচ ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। অনেক উদীয়মান খেলোয়াড় এই অর্জন থেকে অনুপ্রেরণা নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

পলাশবাড়ীর গর্বঃ বিকেএসপিতে সুযোগ পেল দুই নারী ফুটবলার

পলাশবাড়ীর গর্বঃ বিকেএসপিতে সুযোগ পেল দুই নারী ফুটবলার

Update Time : 11:28:34 am, Thursday, 5 February 2026

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমির দুই নারী খেলোয়াড় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তারা হলেন, উপজেলার ৪ নম্বর বরিশাল ইউনিয়নের সোহেব মিয়ার কন্যা সাদিয়া আক্তার এবং পলাশবাড়ী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তুলশী কুমার রায়ের কন্যা আদ্রিতা রায়।

২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করা পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমি শুরু থেকেই জেলার ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে। একাডেমির ছেলে ও মেয়ে উভয় দলই গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে নিয়মিত সাফল্য অর্জন করেছে।

একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক ফুটবল খেলোয়াড় ও জেলা নারী দলের কোচ সুরুজ হক লিটন। মেয়েদের দলের সহকারী কোচ হিসেবে আছেন হাবিবা। ছেলেদের দলের সঙ্গে সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন রাকিব,নিয়ামুল ও মুন।
বিকেএসপিতে পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নত প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়া সুবিধা পাওয়ার সুযোগ থাকায় একাডেমির কোচ ও কর্মকর্তারা আশাবাদী,ভবিষ্যতে সাদিয়া ও আদ্রিতা জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারবে।

উল্লেখ্য,চলতি বছর সারাদেশ থেকে মাত্র ১০ জন খেলোয়াড় বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে পলাশবাড়ীর দুইজন থাকায় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
একাডেমির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল হামিদ বলেন,পলাশবাড়ী উপজেলা ফুটবল একাডেমির দুই নারী ফুটবলার বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত। এটি একাডেমি ও উপজেলার জন্য বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে কোচ,অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। আমি তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
দৈনিক দিনকাল পত্রিকার পলাশবাড়ী প্রতিনিধি প্রবীণ সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কবির ও খবরবাড়ি টুয়েন্টি ফোর ডটকম-এর সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিলটন বলেন,এই সাফল্য শুধু পলাশবাড়ীর নয়,পুরো গাইবান্ধা জেলার গর্ব। সাদিয়া ও আদ্রিতা আমাদের এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে। তাদের এই অর্জন নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।
এই সাফল্যে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ, কোচ ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। অনেক উদীয়মান খেলোয়াড় এই অর্জন থেকে অনুপ্রেরণা নেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।।