সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য


গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তরফ জাহান (নয়াপাড়া) গ্রামসংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে মিলন মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের দুলা মিয়ার ছেলে।

 সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়রা পানির মধ্যে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

স্থানীয়রা জানান, সকালে এলাকার একটি জলাশয়ে ভাসমান অবস্থায় মিলনের দেহ দেখতে পেয়ে তারা সাদুল্লাপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার ৯ নভেম্বর  রাত ৭টার পর মিলন বাড়ি থেকে বের হয়। রাতভর বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন সকালে বাড়ির অদূরে জলাশয়ে মরদেহ ভাসতে দেখার খবর পেয়ে পরিবার সেখানে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করে। পরিবার দাবি করছে—এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, তার মৃত্যু রহস্যজনক।

ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড? এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন,
“খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মিলনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

মোবাই

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

সাদুল্লাপুরে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

Update Time : ০৯:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫


গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের তরফ জাহান (নয়াপাড়া) গ্রামসংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে মিলন মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের দুলা মিয়ার ছেলে।

 সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে স্থানীয়রা পানির মধ্যে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

স্থানীয়রা জানান, সকালে এলাকার একটি জলাশয়ে ভাসমান অবস্থায় মিলনের দেহ দেখতে পেয়ে তারা সাদুল্লাপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার ৯ নভেম্বর  রাত ৭টার পর মিলন বাড়ি থেকে বের হয়। রাতভর বাড়িতে না ফেরায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরদিন সকালে বাড়ির অদূরে জলাশয়ে মরদেহ ভাসতে দেখার খবর পেয়ে পরিবার সেখানে গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করে। পরিবার দাবি করছে—এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, তার মৃত্যু রহস্যজনক।

ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি দুর্ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড? এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজ উদ্দিন খন্দকার বলেন,
“খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

মিলনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

মোবাই