সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফুলছড়িতে পিএফজি’র আন্তঃধর্মীয় সংলাপেশান্তি-সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের প্রতিশ্রুতি

oplus_148897792

‘সংঘাত নয়, শান্তি সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলায় শান্তি-সম্প্রীতি ও সহাবস্থান জোরদারের প্রতিশ্রতি দেন অংশগ্রহনকারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) এর আয়োজনে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা পিএফজি সমন্বয়কারী ও প্রধান শিক্ষক শামসুজ্জোহা বাবলু। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জগৎবন্ধু মন্ডল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাদেকুল ইসলাম নান্নু, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, সেক্রেটারী মাওলানা আনিছুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম সোলায়মান শহিদ ও ইকবাল হোসেন, ফুলছড়ি থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক,  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল আলীম, উড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের, পুরোহিত রজত কুমার ভট্টাচার্য, গাইবান্ধা জেলা রবিদাস ফোরােেমর সাধারণ সম্পাদক খিলন রবিদাস সহ শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় কার্যক্রম প্রকল্পের উপস্থাপন করেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর এসএম শফিকুর রহমান, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ফরিদা ইয়াসমিন ও উপজেলা ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের যুগ্ম সমন্বয়ক শেখ ফরিদ।

সংলাপে বক্তারা বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা, পারস্পরিক আস্থা ও নৈতিকতার ভিত্তিতেই গড়ে উঠতে পারে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদমুক্ত একটি সমাজ। ধর্ম মানুষকে বিভক্ত করার জন্য নয় বরং ঐক্যবদ্ধ করে মানবিক সমাজ গড়ার জন্য। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে শান্তি-সম্প্রীতির ফুলছড়ি গড়ার শপথেই শেষ হয় আন্তঃধর্মীয় এ সংলাপ। পরে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদমুক্ত ফুলছড়ি গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে সবাই ১১ দফা ঘোষণা সম্বলিত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

ফুলছড়িতে পিএফজি’র আন্তঃধর্মীয় সংলাপেশান্তি-সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের প্রতিশ্রুতি

Update Time : ১০:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‘সংঘাত নয়, শান্তি সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলায় শান্তি-সম্প্রীতি ও সহাবস্থান জোরদারের প্রতিশ্রতি দেন অংশগ্রহনকারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) এর আয়োজনে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সংলাপে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা পিএফজি সমন্বয়কারী ও প্রধান শিক্ষক শামসুজ্জোহা বাবলু। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জগৎবন্ধু মন্ডল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাদেকুল ইসলাম নান্নু, উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, সেক্রেটারী মাওলানা আনিছুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এইচএম সোলায়মান শহিদ ও ইকবাল হোসেন, ফুলছড়ি থানার এসআই আব্দুর রাজ্জাক,  ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল আলীম, উড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আবুল খায়ের, পুরোহিত রজত কুমার ভট্টাচার্য, গাইবান্ধা জেলা রবিদাস ফোরােেমর সাধারণ সম্পাদক খিলন রবিদাস সহ শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ। এ সময় কার্যক্রম প্রকল্পের উপস্থাপন করেন, দি হাঙ্গার প্রজেক্টের এরিয়া কো-অর্ডিনেটর এসএম শফিকুর রহমান, ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর ফরিদা ইয়াসমিন ও উপজেলা ইয়ুথ পিস এম্বাসেডর গ্রুপের যুগ্ম সমন্বয়ক শেখ ফরিদ।

সংলাপে বক্তারা বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা, পারস্পরিক আস্থা ও নৈতিকতার ভিত্তিতেই গড়ে উঠতে পারে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদমুক্ত একটি সমাজ। ধর্ম মানুষকে বিভক্ত করার জন্য নয় বরং ঐক্যবদ্ধ করে মানবিক সমাজ গড়ার জন্য। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে শান্তি-সম্প্রীতির ফুলছড়ি গড়ার শপথেই শেষ হয় আন্তঃধর্মীয় এ সংলাপ। পরে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদমুক্ত ফুলছড়ি গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে সবাই ১১ দফা ঘোষণা সম্বলিত ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।