গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকায় সেলিম মিয়া (৩৫) নামে প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকায় কলেজ রোডে ঠাকুরবাড়ী মন্দির সংলগ্ন বাসা থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সেলিম মিয়া প্রাণ-আরএফএল কোম্পানিতে সেলসম্যান হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম এলাকার মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। তার অকাল মৃত্যুতে সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানান, সেলিম মিয়া ঠাকুরবাড়ী এলাকায় সাবেক ব্যাংকার সুবাসের বাসায় মেস ভাড়া নিয়ে আলাদা কক্ষে একাই থাকতেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মেসে এসে রাতের খাবার খেয়ে কক্ষের দরজা আটকে শুয়ে পড়ে। পরের দিন বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘুম থেকে উঠে কক্ষের দরজা না খুললে, মেসের সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে ৯৯৯ জরুরি সেবায় কল করে। খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) পবিত্র কুমার, সেকেন্ড অফিসার (এসআই) সেলিম রেজা, উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌফিজ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের দরজা ভেঙ্গে সেলিমের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে। এসময় তার মুখে ও ঘরের মেঝেতে বমি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। তবে তার শরীরে কোন ক্ষত চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মেসের সদস্যরা জানান, রাতে খাওয়ার পর সেলিম আবারও বাহিরে গিয়ে পাউরুটি খেয়ে এসেছিল। পরে পুলিশ সেলিম মিয়ার পরিবারের কাছে খবর দিলে তার চাচা এসে নিহতের হৃদরোগ ছিল উল্লেখ করে থানায় একটি লিখিত আবেদন জমা দেন।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির সেলসম্যান সেলিম মিয়া হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। কোন অভিযোগ না থাকায় তার পরিবারের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি: 











