সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার।আটক ৪

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২
  • ৩৬ Time View

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার খানপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ফজলুল হক (৫০) নামের এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়।

আজ মঙ্গলবার ১২ জুলাই উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের খানপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ফজলুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, নিহত ফজলুল হকের ছেলে ও পরিবারের সকল সদস্যারা প্রায় টাকার জন্য ফজলুল হক কে মারপিট করে আসছিলেন। তাকে খেতে না দেওয়াসহ নানা রকম নির্যাতন করতো। তার পরিবারের সদস্যারাই তাকে মেরে ফেলছে বলে ধারণা তাদের।

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়,গতকাল ১১ জুলাই সোমবার রাতে ফজলুল হকের ছেলে আরিফ মিয়া,পুত্রবধূ নিলুফা বেগম ও স্ত্রী আমেনা বেগম নিহতের কাছে টাকা চায়।এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে রাতেই তাকে মারধর করে মেরে ফেলে তারপর তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে মঙ্গলবার সকালে ছোট ছেলে তার বাবা ফজলুল হকের মরদেহ পুকুরে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে গ্রামবাসীরা ছুটে আসে।

সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সরকার ইফতেখার মোকাদ্দেম সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে ফজুলুল হকের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের পরিবারের ৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

সুন্দরগঞ্জে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার।আটক ৪

Update Time : ১০:২৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার খানপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ফজলুল হক (৫০) নামের এক কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়।

আজ মঙ্গলবার ১২ জুলাই উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের খানপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ফজলুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, নিহত ফজলুল হকের ছেলে ও পরিবারের সকল সদস্যারা প্রায় টাকার জন্য ফজলুল হক কে মারপিট করে আসছিলেন। তাকে খেতে না দেওয়াসহ নানা রকম নির্যাতন করতো। তার পরিবারের সদস্যারাই তাকে মেরে ফেলছে বলে ধারণা তাদের।

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়,গতকাল ১১ জুলাই সোমবার রাতে ফজলুল হকের ছেলে আরিফ মিয়া,পুত্রবধূ নিলুফা বেগম ও স্ত্রী আমেনা বেগম নিহতের কাছে টাকা চায়।এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে রাতেই তাকে মারধর করে মেরে ফেলে তারপর তার মরদেহ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে মঙ্গলবার সকালে ছোট ছেলে তার বাবা ফজলুল হকের মরদেহ পুকুরে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে গ্রামবাসীরা ছুটে আসে।

সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সরকার ইফতেখার মোকাদ্দেম সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে ফজুলুল হকের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের পরিবারের ৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।