সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিস্তা,সানিয়াজান ও ধরলার পানি বৃদ্ধি,দেখা দিয়েছে বন্যা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২
  • ২৯ Time View

আবু হাসান (আকাশ)লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

 

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষনে লালমনিরহাটে তিস্তা,সানিয়াজান ও ধরলা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে তলিয়ে গেছে বিদ্যালয় ও পানিবন্দি হয়ে পরেছে তিস্তা,সানিয়াজান ও ধরলা পাড়ের প্রায় ৮ হাজার পরিবার। তাদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান,পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর তীরবর্তী এলাকায় পানিবন্দি পরিবার গুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। চর গড্ডিমারী এলাকায় অবস্থিত চর গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় পানিতে ডুবে যাওয়ায় বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। যে পরিমান পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই তুলনায় ত্রাণ বরাদ্দ পাচ্ছি না। প্রতিদিন ত্রাণের জন্য লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে ভীর করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া পয়েন্টের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা-উদ-দৌল্লা বলেন, গত কয়েকদিন যাবত তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বুধবার ভোর থেকে আবারও পানি বাড়তে থাকে। বিকাল ৩ টায় পানি বিপদসীমার ০৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গাইবান্ধায় নবাগত ও বিদায়ী পুলিশ সুপারের সংবর্ধনা ও দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান

তিস্তা,সানিয়াজান ও ধরলার পানি বৃদ্ধি,দেখা দিয়েছে বন্যা

Update Time : ০৫:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

আবু হাসান (আকাশ)লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

 

উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষনে লালমনিরহাটে তিস্তা,সানিয়াজান ও ধরলা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ও ধরলা নদীর পানি বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে তলিয়ে গেছে বিদ্যালয় ও পানিবন্দি হয়ে পরেছে তিস্তা,সানিয়াজান ও ধরলা পাড়ের প্রায় ৮ হাজার পরিবার। তাদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান,পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর তীরবর্তী এলাকায় পানিবন্দি পরিবার গুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। চর গড্ডিমারী এলাকায় অবস্থিত চর গড্ডিমারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় পানিতে ডুবে যাওয়ায় বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। যে পরিমান পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেই তুলনায় ত্রাণ বরাদ্দ পাচ্ছি না। প্রতিদিন ত্রাণের জন্য লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে ভীর করছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া পয়েন্টের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা-উদ-দৌল্লা বলেন, গত কয়েকদিন যাবত তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ বুধবার ভোর থেকে আবারও পানি বাড়তে থাকে। বিকাল ৩ টায় পানি বিপদসীমার ০৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।