গাইবান্ধায় ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করনের দাবীতে মানবন্ধন ও স্বারক লীপি প্রদান।


দৈনিক বাংলাদেশ প্রকাশের সময় : মে ২৩, ২০২১, ৬:৩১ অপরাহ্ণ / ১১৬
গাইবান্ধায় ইবতেদায়ী মাদরাসা জাতীয়করনের দাবীতে মানবন্ধন ও স্বারক লীপি প্রদান।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান।  ২৩/০৫/২০২১ ইং রোজ রবিবার সকাল ১১ ঘটিকায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অনুযায়ী দেশের অন্যনান্য সংগঠনের সভাপতি মোঃ মাহি উদ্দিন মাহি সভাপতিত্বে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সিনিয়ার সহ সভাপতি – মোঃ সোহেল রানা,দপ্তর সম্পাদক- মোঃ শোয়েব আকতার, মোঃ তবিবুর রহমান, জহুরুল ইসলাম,মাহাবুবর রহমান, আনিছুর রহমান, আজিজুর রহমান, কামাল (পাশা), মিন্টু মিয়া, ছামছুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম,আঃ মালেক সহ জেলা ও উপজেলা সকল নেতাকর্মী ও শিক্ষকগণ।

বক্তারা বলেন -১৯৭৮ অডিনেন্স ১৭ (২) ধারা মোতোবেক মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডও শর্ত পূরণ সাপেক্ষে রেজিঃ প্রাপ্ত হয়। রেজিষ্ট্রেশন হওয়ার পর থেকে শিক্ষা মন্ত্রণলায়ের বিধি মোতাবেক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৯৪ ইং সনে একই পরিপত্রে রেজিষ্ট্রার বেসরকারী প্রাইমারী ও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন ৫০০ টাকা নির্ধারন করা হয়। পরবর্তীতে বিগত সরকারের সময়ে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি হতে হতে ২০১৩ সালে ৯ জানুয়ারী বর্তমান মহাজোট সরকার ২৬১৯৩ টি বেসরকারী প্রাইমারী স্কুল জাতীয়করণ করে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় সকাল ০৯ থেকে বিকাল ০৫ টা পর্যন্ত সরকারী একই সিলেবাসে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় ইবতেদায়ী ৫ম শ্রেণী শিক্ষার্থী সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ন্যায় সরকারের সকল কাজে অংশগ্রহন করে।

অথচ মাস শেষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন ২২-৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পায়। কিন্তু ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকগন তেমন কোন বেতন ভাতা পায় না তবুও তারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় শিক্ষকতা চালিয়ে যাচ্ছে।

সভাপতি আরো বলেন -২০১৮ সালে ১লা জানুয়ারী থেকে ১৬ জানুয়ারী পর্যন্ত শিক্ষক সমিতি অবস্থান ধর্মঘাট ও অনশন চলাকালনি সময় সরকারের নির্দেশে সচিব মহোদয় আন্দোলন স্থলে এসে শিক্ষকদেও মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ১৫১৯টি ইবতেদায়ী মাদরাসার কিছু শিক্ষকগন সর্বসাকুল্যে প্রধান শিক্ষক ২৫০০ টাকা সহকারী শিক্ষক ২৩০০ টাকা ভাতা পায় বাকি রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত মাদরাসাগুলোর শিক্ষকগণ ৩৭ বছর যাবৎ বেতন ভাতা হতে বঞ্চিত। যা এই দ্রব্য মূল্যের বাজারে ও অমানবিক, শিক্ষকদের অবমাননা ছাড়া কিছু না।

চলমান বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস কোভিট -১৯ এর প্রভাবে সারাদেশে বেতন থেকে বঞ্চিত, কর্মরত স্বত্যন্ত ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষকরা মানবতার জীবন যাপন করছে। নেতারা আরো বলেন আগামী ২১-২২ অর্থ বছরের অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব ও নিম্নোক্ত দাবী সমুহ বাস্তবায়নের ঘোষনার দাবী তুলে ধরেন স্বত্যন্ত এবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষক বৃন্দ।